আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে সৎ, যোগ্য, জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রয়োজন

একেএম রফিকুন্নবী :
    সময় : শনিবার, জুন ১, ২০২৪, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৩২৯ Time View

মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে তৈরি করেছেন জবাবদিহিমূলক দায়িত্ব দিয়ে। তাকে দুনিয়ায় আল্লাহর গোলামি করতে হবে শিরকমুক্ত থেকে আবার আখিরাতেও তাকে দুনিয়ার কাজের ফল ভোগ করতে হবে। তাই আমরা দুনিয়ায় ভালো কাজ করে দুনিয়াতেই শান্তির নীড় বানাতে চাই আবার এর বিনিময়ে আখিরাতে সীমাহীন জীবনের জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস পেতে চাই।

দুনিয়ার জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। শিশু, কৈশোর, যুবক, কর্মজীবন, বৃদ্ধকাল মিলে ৬০-১০০ বছর। আখিরাতের বয়সের তুলনায় দুনিয়ার বয়স সমুদ্রের এক ফোঁটা পানির সমতুল্য। কিন্তু তারপরও এ দুনিয়াকে নিয়ে আমাদের এত পেরেশানি। ক্ষমতা, আয়-ব্যয় কোনোটাতেই সততার ধারধারিতে চাই না। জবাবদিহির কোনো চিন্তা অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের মাথায় থাকে না। খাই খাই রব। দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপি, জেলা-উপজেলা, থানার সরকারি-বেসরকারি দায়িত্বশীলরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে মোটেই চিন্তা করতে চান না যে, আমাদের দুনিয়ার কাজে আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে।

মহান আল্লাহর দুজন ফিরিশতা ভালো ও মন্দের হিসাব সুচারুরূপে লিপিবদ্ধ করছেন আবার ভিডিও করে রাখছেন। কেউই নজরদারির বাইরে নেই। কাজের কিছু ফল আমরা দুনিয়াতেই পাব, আবার আসল ফল আখিরাতে রয়েছে আমাদের জন্য সংরক্ষিত।

কয়েকদিন পূর্বে আনোয়ারুল আজীম আনার এমপি পাশের দেশে নৃশংসভাবে খুন হয়েছে, যার লাশ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সাথে সাথে তার এলাকার যেসব চাঞ্চল্যকর তথ্য পত্রপত্রিকায় আসছে, তা-ও খুবই দুঃখজনক এবং পরিত্যাজ্য। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ অনেক নির্মম ঘটনার অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। চোখ উপড়িয়ে কিশোরকে খুন করা হয়েছে, কিশোর সোহানের মায়ের আর্তনাদ দুনিয়াব্যাপী ভাইরাল হচ্ছে। কিছু বিচার যে, আল্লাহ দুনিয়াতেই করবেন, তার প্রমাণ আজীমের টুকরা টুকরা লাশের খবর। তা-ও আবার ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার এলাকার লোকেরা সাক্ষী দিচ্ছে। আমরা সব বিচারবহির্ভূত হত্যার নিন্দা জানাই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব আগে ঘটনা বের করা এবং বিচারের আওতায় এনে সঠিক বিচার করে শাস্তির আওতায় আনা।

আপনারা কয়েকদিন পূর্বে দেখেছেন, একজন নিম্ন আদালতের বিচারকের রায়ের ফলে দেশের শক্তিধর পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের স্থায়ী-অস্থায়ী ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এখনো তৎপরতা চলছে। এরকম প্রতি জেলায় একজন ন্যায়পরায়ণ সৎ বিচারপতি থাকলে দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং দায়িত্বে অবহেলার বিচার জনগণের সামনে আসতে দেরি হতো না। আবার দেশ কলুষমুক্ত বিচার ব্যবস্থার সাথে আইনশৃঙ্খলারও যথেষ্ট উন্নতি হতো।
এর চেয়েও গুরুতর অভিযোগ, দেশের একজন সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের আমেরিকার ভিসা কার্যক্রম বাতিল ও তাকে দোষী সাব্যস্ত করে স্যাংশনের আওতায় পুরো পরিবারকে এনে ফরমান জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। আমাদের দেশের জন্য এটি একটি ভয়ানক দুঃসংবাদ এবং লজ্জাজনক ঘটনা। এর সাথে জড়িত বিদেশি মিশনে চাকরিরত সামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। আমাদের অর্থনীতির সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ব্যক্তির জন্য দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উপরের বিষয়গুলোর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। একেকজন মন্ত্রী একেকভাবে বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। একটি দেশের সেনাপ্রধান, পুলিশপ্রধান ও ৩ বারের এমপিরা যদি দেশের ক্ষতিকারক কাজ করে ধরা পড়ে, তবে সরকার নিশ্চুপ থাকবে কী করে?
কথা উঠেছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের দুর্নীতিগ্রস্ত লোকদের ব্যাপারে। তারা কী খবর রাখলো, কাদের রিপোর্টে সেনাপ্রধান হলো, পুলিশপ্রধান হলো, সরকারি দলের লোকেরা কীভাবে দলীয় মনোনয়নপত্র পেল। এরা কিন্তু যোগ্যতার বলে বা টাকার খেলায় ত্যাগী লোকদের পেছনে ফেলে এমপি, মন্ত্রী হলো তা যেমন দলের লোকদের বিচার-বিশ্লেষণের দাবি রাখে, তেমনি দেশের জনগণকেও সজাগ, সচেতন হতে হবে। চোরাকারবারি, স্বর্ণ পাচারকারী, ব্যাংক খালিকারী, টাকা পাচারকারীরা যাতে ক্ষমতায় অংশ নিতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা।

দেশটা আমাদের সবার। দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ হতে হবে। আমরা দুর্নীতিপরায়ণ, অসৎ, অযোগ্য, দায়িত্বহীন ব্যক্তিদের ক্ষমতায় দেখতে চাই না। যারা এদের প্রশ্রয়-আশ্রয় দিচ্ছে, তাদেরও বয়কট করতে হবে। সর্বক্ষেত্রে সৎ, যোগ্য, দায়িত্ববোধসম্পন্ন লোকের নেতৃত্ব আমরা চাই। জনগণ চায় সব দলে ভালো লোকের সমাবেশ ঘটাতে হবে।

একসময় দেশের স্বার্থে মরহুম মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী রহ., অধ্যাপক গোলাম আযম রহ., মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবসহ দেশের অন্যান্য দলের নেতাদের সাথে বৈঠক করতে দেখা গেছে। জেনারেল এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য মাঠে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত নেতাদের সাথে মাঠে-ময়দানে মিছিল করতে আমরা দেখেছি। দেশের ভালোর জন্য তারা এ মিটিং-মিছিল করেছেন। আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে।

চারদলীয় জোটের দুজন মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী রহ. ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রহ. ৫ বছর ৩টি মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন অত্যন্ত সততার সাথে, দক্ষতার সাথে, দায়িত্বশীলতার সাথে, দুর্নীতিমুক্ত থেকে। তাদের অসত্য অভিযোগে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো হয়েছে। তারা কিন্তু আপস করেননি। কারণ তারা জানতেন, জান্নাতে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে জান্নাতুল ফেরদাউস, যেখানে নিয়ামতের কোনো শেষ নেই। সেখানে কোনো অভাব বলতে কিছু নেই। আমরাও আশা করি, অচিরেই আমরা তাদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পাব, ইনশাআল্লাহ।

দিনের ভোট রাতে, ভোট ছাড়া এমপি হওয়া, কোনোভাবেই সৎ, যোগ্য, দায়িত্বশীল ব্যক্তি জনগণের প্রতিনিধি হয়ে আসতে পারবে না, যা বর্তমানে দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। কোনো এমপি তার এলাকায় বাজার-ঘাট থেকে শুরু করে মনোনয়ন বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ পত্রপত্রিকায় প্রায়ই দেখা যায়। আমরা বিনা তদন্তে এগুলো বিশ^াস করতে চাই না। কথা উঠেছে প্রত্যেক এমপি-মন্ত্রীর বাসায় তালাশ করলে কোটি কোটি টাকা পাওয়া যাবে। তা-ও আমরা বিশ^াস করতে চাই না। তবে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি।

আমাদের দেশের পুলিশ বিভাগ, গোয়েন্দা বিভাগ অত্যন্ত প্রশিক্ষিত। তাদের দায়িত্ব ছিল সঠিক খবর প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া। প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক পরিবারের মানুষ। বয়সও হয়ে গেছে। তাই তিনি দেশের জন্য একটি বিপ্লবী ভূমিকা রেখে যেতে পারেন।

দেশের সব দলের মধ্যেই ভালো লোকের অভাব নেই। কিন্তু চাঁদাবাজ, মতলববাজ, ব্যাংক ডাকাতের লোক, চোরাচালানকারী, ব্যাংকের ঋণখেলাপিদের চাপে ভালো লোকেরা ভূমিকা রাখতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিলেই ভালো লোকেরা সামনে এসে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। দলেরও ভালো হবে, দেশেরও ভালো হবে। আমরা ভালো কাজের ভূমিকার অপেক্ষায় রইলাম।

জামায়াতে ইসলামীর প্রকাশ্য কাজের ফল পাওয়া শুরু হয়ে গেছে। বর্তমান আমীরে জামায়াত সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কর্মীদের এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে যাচ্ছেন। এর ফল ভালো হতে বাধ্য। অতীতে জামায়াতের মন্ত্রীরা আদর্শ ভূমিকা রাখতে পারলে ভবিষ্যতেও পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

বলে রাখা ভালো, ইতোমধ্যেই এ ভোট চুরির নির্বাচনের যুগেও জামায়াতের একাধিক ব্যক্তি ভোটে জিতে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এটা আদর্শ ও ব্যক্তির সততা, যোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। আমরা দেশের ভালো চাই, জনগণের ভালো চাই। দলমত-জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য অপেক্ষা করছি। আমরা দুনিয়ার ভালো চাই, আখিরাতের ভালো চাই, দুনিয়ার কল্যাণ চাই।

হঠাৎই গণমাধ্যমে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান করেছেন। আমরা এর শুভ কামনা করি। প্রভুত্ব বাদ দিয়ে যেকোনো দেশের বিনিয়োগ আমাদের জন্য ভালো হবে। বিশেষ করে এলএনজি আমদানি না করে দেশের তেল-গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর জন্য বিনিয়োগ করতে পারলে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ দেশের জ¦ালানির অভাব পূরণ সহজ হবে। দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে গোটা দুনিয়ার মুসলিমদের ভালো-মন্দের সাথে আমরা জড়িত। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান পাশের দেশের বিরোধিতা সত্ত্বেও ওআইসির মিটিংয়ে পাকিস্তানে যোগদান করে মুসলিম দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আজকেও শুধু পাশের দেশের প্রতি আনুগত্য না করে, ‘কারো সাথে শত্রুতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব’- এ ধারায় সব দেশের সাথে আমরা যোগাযোগ রাখতে পারি। তাদের দেশে জনশক্তি, গার্মেন্টসসহ প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্য রফতানি করে দেশের উৎপাদন বাড়াতে হবে এবং দেশের পণ্য নিজেরাও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমবে।

নিজেরা স্বাধীনভাবে চলতে পারলে এবং সাহস করে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে পারলে দুনিয়াতেই মহান আল্লাহ যে সাহায্য করেন, তার প্রমাণ আফগানিস্তানের মানুষের বিজয়। দু-দুটি পরাশক্তিকে হার মানিয়ে বা তাদেরকে বিদায় করে দিয়ে স্বাধীনভাবে দেশ চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, দুনিয়ার মধ্যে তাদের অর্থের মান সবচেয়ে বেশি। তারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে পাহাড় ব্যবস্থাপনা করে, খাল নির্মাণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তারা সব দেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করে দেশ চালাচ্ছে। জনগণ তাদের সাথে আছে।

দুনিয়ার আরেকটি দেশ মালদ্বীপ। মহাম্মদ মইজ্জু বিদেশি সেনা তাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতে দেশ চালাচ্ছেন। শুধুমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং মনের সাহস ও জনগণের সমর্থন নিয়ে তাদের এ বিজয়।

আমরা কোথায়? দেশের অর্থনীতির বারোটা বেজে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বনিম্নে পৌঁছে গেছে। আমদানি করার ডলার নেই। নগদ টাকা ব্যাংকে নেই। জনগণ হাহাকার করছে তাদের আমানতের নিশ্চয়তা নেই বলে। এভাবে আর কতদিন দেশ চালানো যাবে?

মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে জনগণের সমর্থন নিয়ে স্বাধীনভাবে দেশ চালাতে পারলে আমরাও পারব দুনিয়ার বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে।
দেশের চোরাকারবারি, ঋণখেলাপি, টাকা ও স্বর্ণ পাচারকারী, মাদক ব্যবসায়ীদের শক্তভাবে দমন করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। ভোট ছাড়া আর নির্বাচন নয়। জনগণের প্রতি আস্থা রেখে সৎ, চরিত্রবান, দায়িত্ববোধসম্পন্ন ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি বানাতে পারলে দেশকে উন্নতি-অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। দেশের পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে তারা সমাজবিরোধীদের খুঁজে বের করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস। সরকার উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করে তাদের সততার প্রমাণ রাখতে পারে।

দেশটা আমাদের সবার। তাই সবাইকে ‘ভালো কাজের আদেশ, মন্দ কাজের নিষেধ’ করতে পারলে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বেশি সময় লাগবে না। জনসম্পদ কাজে লাগিয়ে শিল্পে উৎপাদন, মাঠে চাষাবাদ ঠিকমতো করতে পারলে এবং সৎ, যোগ্য, দাযিত্বশীল নেতৃত্ব বাছাই করতে পারলে, দলমত-নির্বিশেষে ভালো কাজ করে দেশকে উন্নত দেশ বানাতে পারব, ইনশাআল্লাহ। কোনো দেশের প্রতি নির্ভরশীল না হয়ে স্বাধীনভাবেই আমরা টিকে থাকতে চাই।

লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল : rnabi1954@gmail.com.

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©  doiniksatmatha.com