তাওহিদ হৃদয়ের ফিফটিতে সিরিজ নির্ধারণী টি-টুয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ১৬৬ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে বাংলোদেশ। তাওহিদ সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন ৩৮ বলে। ৪ বাউন্ডারির সাথে হৃদয়ের ইনিংসে ছিল ২টি বাহারী ওভার বাউন্ডারি।
চট্রগ্রামের জহুর আহম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। বরাবরের মতই ৩য় ম্যাচেও ব্যর্থ লিটন দাস। দলীয় ২২ রানের মাথায় ১২ রান করে মুজারাবানির বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন। এরপর দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ৬ রানে আউট হলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

আরেক ওপেনার বগুড়ার ছেলে তানজিদ হাসান তামিমের সাথে জু টি গড়ে আবারও দলের বিপর্যয় ঠেকানের চেষ্টা করেন বগুড়ার আরেক তারকা তাওহিদ হৃদয়। দুজনে ৩১ রানের জু টি গড়ার পর তামিম ব্যক্তিগত ২১ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন দলের নতুন তারকা জাকের আলী অনিক।
হৃদয়-জাকেরের দৃঢ়তায় বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। এই জুটি দলকে ১৪৭ রানে পৌঁছে দিয়ে ব্যক্তিগত ৪৪ রানে সাজঘরে ফেরেন জাকের আলী। ৩৪ বলে ৩ চার ও দুই ছক্কা হাঁকান জাকের আলী।
জাকেরের বিদায়ের পরপরই টি-টুয়েন্টিতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৫৭ রানের ইনিংস খেলে মুজারাবানির চমৎকার ইয়র্কারের পরাস্ত হন তাওহিদ হৃদয়। শেষ পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও রিশাদ হোসেন দলকে ১৬৫ রানে টেনে নিয়ে যান। রিয়াদ ৪ বলে ৯ এবং রিশাদ ৪ বলে ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
জিম্বাবুয়ের মুজারাবানি ৩টি উইকেট শিকার করেন।
Leave a Reply