৪ বছরের শিশু আদম নিখোঁজের পর হত্যায় ৬ দিন অতিবাহিত হলেও গ্রাম জুড়ে আতঙ্ক কাটেনি সাধারণ মানুষের মাঝে। তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা কে অপহরণের পর হত্যা, এবং গত শুক্রবার শিশু আদমকে পাচারে ব্যথ হওয়ায় হত্যা করে লাশ পাশ্বর্তী পুকুরে ফেলে দেয়ার ঘটনায় এলাকা জুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুরো এলাকা জুড়ে শোকের মাতমে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। আদমের কবরের পাশে সারাক্ষণ নারী – পুরুষ কান্নায় বিলাপ করছেন, অপরদিকে আদম হত্যায় জড়িত শিল্পী বেগমের আলিশান বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার আশঙ্কা হতে রক্ষায় গত ৬ দিন ধরে শতাধিক পুলিশী দাঙ্গা বাহীনি বাড়িটি ঘিরে রেখেছেন। শিল্পীর বাড়িতে রক্তাক্ত একটি কাপড়ের টুকরা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন শিশু আদমের দাদি রাবেয়া বেগম।
ঐ কাপরে লাগা রক্ত শিশু আদমের মাথায় আঘাতের ঝড়ে পড়া রক্ত বলে জানান আদমের বাবা জাকারিয়া মিয়া। শিল্পীর শশুর বাড়ীর সবাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনার সব কিছু স্পষ্ট হবে বলে দাবি করেন তারা। ২০১০ ইং সনের ১৩ অক্টোবর মাদারগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা কে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার অভিযোগে শিল্পী ও তার সাবেক স্বামী শাহিনের মামলা চলমান রয়েছে। ফারজানা কে অপহরণের পর হত্যা ও আদমকে হত্যা কান্ডে গ্রাম জুড়ে আতঙ্ক, শিশু সন্তানদের নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় অভিভাবকর। তার বিরুদ্ধে শিশু পাচার স্বন চোরাচালান অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ স্থানীয় গ্রাম বাসির।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন থাকবে।
Leave a Reply