নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে জিতলো ক্ষিণ আফ্রিকা

স্পোর্টস ডেস্ক:
    সময় : রবিবার, জুন ৯, ২০২৪, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
  • ৩১২ Time View
জ য় নিশ্চিত হও য়ার পর জয়ের নায়ক ডেভিড মিলার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আরো একবার নজর কাড়ল নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচ। এই মাঠেই আজ রোববার হবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। তার আগে শনিবারের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ও দক্ষিণ আফ্রিকা দু’দলের ব্যাটারেরাই সমস্যা পড়েন। প্রতিটি রানের জন্য লড়তে হলো তাদের। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান করে নেদারল্যান্ডস। সেই রান তাড়া করতে নেমেও সমস্যায় পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা। কোনো রকমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতল তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার নায়ক ডেভিড মিলার। অর্ধশতরান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি।

টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক আইডেন মার্করাম। প্রথম ওভারেই উইকেট নেন মার্কো জানসেন। মাইকেল লেভিটকে শূন্য রানে ফেরান তিনি। সেই শুরু। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে শুরু করে। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই তিন উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস।

নেদারল্যান্ডসের ব্যাটারদের মধ্যে সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখ্‌ট ও লোগান ভ্যান ভিক জুটি বাঁধেন। ৪৮ রানে ৬ উইকেট থেকে দলকে শতরান পার করান তাঁরা। রানের গতি কম থাকলেও উইকেট হারাননি তারা। এই পিচে ভালো ব্যাট করেন এঙ্গেলব্রেখ্‌ট। ৪০ রান করে আউট হন তিনি। ভ্যান বিক করেন ২৩ রান। ১০৩ রানে শেষ হয় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারেদর মধ্যে ওটনেইল বার্টম্যান ৪টি এবং জানসেন ও আনরিখ নোখিয়ে ২টি করে উইকেট নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শুরুটা আরো খারাপ হয়। প্রথম বলেই রান আউট হন কুইন্টন ডি’কক। রিজা হেনড্রিক্স, মার্করাম ও হেনরিখ ক্লাসেনও রান পাননি। ১২ রানে ৪ উইকেট পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। দেখে মনে হচ্ছিল, আরো একবার নেদারল্যান্ডসের কাছে হারতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

সেখান থেকে ইনিংস ধরেন মিলার। ট্রিস্টান স্টাবসের সাথে জুটি বাঁধেন তিনি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগান মিলার। কেন তাকে এই দলের মেরুদণ্ড বলা হয় তা দেখালেন বাঁহাতি ব্যাটার। তরুণ স্টাবসও কঠিন পরিস্থিতিতে ভালো খেললেন। তাড়াহুড়ো করেননি তারা। ধীরে ধীরে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান।

৩৩ রান করে স্টাবস আউট হলে আবার জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করে নেদারল্যান্ডস। কিন্তু মিলার তখনো ছিলেন। অন্য কারো ওপর ভরসা করেননি তিনি। শেষ দিকে কয়েকটি বড় শট মারেন মিলার। সাত বল বাকি থাকতে ছক্কা মেরে দলকে জেতান তিনি। ৫১ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©  doiniksatmatha.com