নিজেদের হামলায় ৫ ইসরাইলী সেনা নিহত!

সাতমাথা ডেস্ক:
    সময় : বৃহস্পতিবার, মে ১৬, ২০২৪, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
  • ৪১৪ Time View

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জাবালিয়ায় ট্যাংক হামলায় প্রাণ হারিছেন পাঁচ ইসরাইলি সেনা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, বুধবার ভুল করে নিজ সেনাদের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত সেনাদের সবাই প্যারাট্রুপার্স ব্রিগেডের ২০২ নং ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তাদের ওপর ভুল করে ট্যাংক হামলা চালানো হয়।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গতকাল প্যারাট্রুপারদের সঙ্গে জাবালিয়ায় হামলা চালাতে গিয়েছিল ট্যাংক বাহিনী। এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি ভবনকে লক্ষ্য করে ট্যাংক থেকে দুটি গোলা ছোড়া হয়। ট্যাংক সেনারা ভেবেছিলেন ভবনের ভেতর ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা আছেন। কিন্তু আসলে ছিলেন ইসরাইলি সেনারাই।

ট্যাংক সেনারা সেখানে ট্যাংক নিয়ে ভোরের দিকে গিয়েছিলেন। আর প্যারাট্রুপাররা এর দুই ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছেছিল। সেখানে গিয়ে প্যারাট্রুপাররা ওই ভবনে অবস্থান নিয়েছিল। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই এলাকায় প্যারাট্রুপারদের আরেকটি দল যায়। ওই সময় তারা ট্যাংক সেনাদের জানিয়েছিল, তারা ভবনটিতে প্রবেশ করছে।

এর কিছুক্ষণ পর ট্যাংক সেনারা ভবনটির একটি জানালা থেকে বন্দুকের নল দেখতে পায়। তারা ভেবেছিল এতে হামাসের যোদ্ধারা রয়েছে। ওই ভাবনা থেকে ভবনটিতে দুটি গোলা ছোড়া হয়। এতেই এত বড় হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আইডিএফএর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় দুটি ট্যাংক ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ডারের ব্যবহৃত একটি ভবনে দুটি শেল নিক্ষেপ করে।

বিবিসি জানিয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর গাজায় স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৭৮ জন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে।

৭ অক্টোবর ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলায় নিহত ১২০০ জনের মধ্যে আরও ৩৪৮ জন সেনা ছিল, যা যুদ্ধের সূত্রপাত করেছিল। কয়েকজনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরপর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলায় ৩৫ হাজার ২৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©  doiniksatmatha.com