ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। ২ মাস পরই জাতির ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চব্বিশের রক্তঝরা জুলাই বিপ্লবের পর এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন এক বাংলাদেশ বিনির্মানের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশের মানুষ। যার কারণে নতুন এক শক্তির বিজয়ের আভাষ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
কুয়াশা কেটে ভোরের সূর্য যেমন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ঠিক তেমনি এবার নির্বাচনযুদ্ধে নতুন এক শক্তির বিজয় চিহ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, দুর্নীতি-দু:শাসন-বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের সম্ভাবনা ততই হাতছানি দিচ্ছে। প্রতিদিনই ভোটারদের মধ্যে চাঁদা-সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আগ্রহ প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরীপের ফলাফলেও আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। এবারের নির্বাচনে জামায়াতের বিজয়ের সম্ভবনা নিয়ে শুধু দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে।
মার্কিন থিঙ্কট্যাঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)সম্প্রতি বাংলাদেশের ভোটার আচরণ নিয়ে একটি বিস্তৃত জরিপ প্রকাশ করেছে, যা জাতীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই দুটি পারিবারিক ধারায় বিভক্ত। ক্ষমতার পালাবদলও সেই পারিবারিক পরিমণ্ডলে ঘুরপাক খেয়েছে। একবার আওয়ামী লীগ আরেকবার বিএনপি।
বিএনপি এবং আওয়ামী ফ্যামিলি ডাইনেস্টির বাইরে এখানে তৃতীয় কোনো ধারার উত্থান প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হতো। কিন্তু ২০২৫ সালে এসে সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। চব্বিশের জুলাই বিপ্লব দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে আমুল পরিবর্তন সুচিত করেছে, তার পথ ধরেই এবার ক্ষমতার পালাবদলেও আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী গড়ে উঠা এক নতুন নির্বাচনী ডাইমেনশন দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে চলে আসা সেই ‘ক্ষমতার মধুচক্র’ এবার ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের সেই বহুল আলোচিত জরিপে দেখা যাচ্ছে, শতকরা ৫৩ ভাগ ভোটার জামায়াতকে পছন্দ করেন। অপর দিকে শতকরা ৫১ ভাগ ভোটার বিএনপিকে পছন্দ করেন।
তবে জরীপে ভোটের হিসাবে বলা হয়েছে ৩৩% ভোট পেতে পারে বিএনপি এবং ২৯% ভোট পেতে পারে জামায়াত। অর্থাৎ বিএনপি থেকে মাত্র ৪% ভোটের পার্থক্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ দলের অবস্থানে উঠে এসেছে জামায়াত।
জরীপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান হলো, ৫৩% জরিপ-অংশগ্রহণকারী বলেছেন, তাঁরা জামায়াতকে ‘পছন্দ’ করেন, এবং ৫১% বিএনপিকে পছন্দ করেন। এখানে দেখা যাচ্ছে বিএনপির চেয়ে ২% বেশি ভোটার পছন্দ করছেন জামায়াতকে ।
এই “পছন্দের পরিসংখ্যান” ভোট-প্রবাহের দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, যেসব দলকে মানুষ পছন্দ করে, তারা শেষ পর্যন্ত ভোটও পায়। বিশেষ করে যদি নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ হয়। সেই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এবারে জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
ভোটারদের পছন্দের দৌড়ে বিএনপির চেয়ে জামায়াতের এগিয়ে থাকার পরিসংখ্যান কিন্তু প্রতিদিনই পরিবর্তন হচ্ছে। নির্বচনের দিন যতই কাছে আসছে, জামায়াতের প্রতি ভোটরদের আগ্রহের মাত্রাও তত বাড়ছে।
জরিপের তথ্য অনুসারে জামায়াত এখন যে স্তরে উঠে এসেছে, তাকে কোনভাবেই অবমূল্যায়ন করা যাচ্ছে না। এখন তাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যেসব বাস্তব শর্ত প্রয়োজন,তা হলো:
প্রথমত: ভোটের শেষ সপ্তাহে বড় সুইং
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে দেখা গেছে শেষ সপ্তাহে ভোটারদের সিদ্ধান্ত বদলানোর হার ৭%–১২% পর্যন্ত ওঠে। এই হার গ্রামীণ ভোটারের মধ্যে আরও বেশি হয়।
যদি এই সুইংয়ের প্রধান অংশ বিএনপি থেকে জামায়াতের দিকে সরে যায়,
তাহলে জামায়াতের ২৯% ভোটের সমর্থন এক সপ্তাহেই বেড়ে ৩৫–৩৮% হতে পারে। যা তাকে দেশের শীর্ষ ভোটশক্তিতে পরিণত করবে।
জামায়াতের পক্ষে দিন দিন যেভাবে জনসমর্থন বাড়ছে এবং শহর থেকে শুরু করে গ্রামে-গঞ্জে যেভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঢেউ উঠছে,তাতে এই সুইংয়ের সম্ভাবনা খুবই বাস্তব।
দ্বিতীয়ত: ‘পছন্দের জয়’
আইআরআই জরিপে জামায়াতকে পছন্দ করেন ৫৩% কিন্তু ভোট দেবেন ২৯%।
অর্থাৎ প্রায় ২৪% লোক জামায়াতকে পছন্দ করেন কিন্তু ভোটের ক্ষেত্রে এখনো তারা দ্বিধায় রয়েছেন। এদের মধ্যে জোট-সংকট, প্রার্থীর শক্তি, স্থানীয় গণতান্ত্রিক কাঠামো,নির্বাচনের নিরাপত্তা,রাজনৈতিক পরিবেশ এসব পরিবর্তিত হলে এই পছন্দের বড় অংশ সহজেই জামায়াতের পক্ষের ‘ভোট’ হয়ে উঠতে পারে।
এভাবে জামায়াতের ভোটের সমর্থন ২৯% থেকে বেড়ে ৩৯% এর ওপর উঠে যেতে পারে। যা এককভাবে নির্বাচনে জামায়াতকে প্রথম স্থানে বসানোর সম্ভাবনা তৈরি করবে।
তৃতীয়ত: তরুণ ভোটারদের ঝোঁক
২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের সামাজিক গবেষণায় দেখা যায়,২৫–৩৫ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক হতাশা,পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি,এবং ‘বিকল্প শক্তির’ প্রতি আগ্রহ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে।
জামায়াত এই গোষ্ঠীর মধ্যে বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, প্রযুক্তি খাতে একটি দৃশ্যমান সমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। যার প্রমান মিলেছে দেশের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ফলাফলে।
এবার যদি তরুণদের মধ্যে ভোটার উপস্থিতি বেড়ে যায়, তাহলে জামায়াত ৫–৬% অতিরিক্ত ভোট পেতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে তাদেরকে বিজয়ী দল হিসেবে দেখাতে পারে। তারুণ্যের বর্তমান ঝোঁকপ্রবণতা এবং সার্বক পরিস্থিতি অবশ্য সে দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চতূর্থত : বিএনপি-জামায়াতের পুরনো সমীকরণ
অতীতে একাধিক নির্বাচনে দেখা গেছে, বিএনপি ও জামায়াত অনেক জায়গায় একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজেদের ভোট ভাগ করেছে। এবার যদি এই বিভাজন কমে যায়,তাহলে জামায়াত অন্তত আরো ১০–১৫টি অতিরিক্ত আসনে বিজয়ী হতে পারে।ভোটরদের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন থেকে বুঝা যাচ্ছে এর আগে যেসব আসনে বিএনপির কাছে জামায়াত প্রার্থীরা হেরে গেছেন,এবার সেইসব আসনে তারা জিতে যেতে পারেন।
পঞ্চমত : জোট রাজনীতির প্রভাব
বাংলাদেশে জোট-রাজনীতি ক্ষমতাসীন ব্লক নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
জামায়াত এককভাবে ৫১% ভোট না পেলেও সমমনা ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনী জোট করলে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা আরো প্রবল হয়ে উঠতে পারে।
অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ভোটের প্রতি ঝোঁক ক্রমবর্ধনশীল। আর সেক্ষেত্রে জামায়াত যদি সমমনা ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে ঐক্য অটুট রাখতে পারে,তাহলে ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ভোটের অধিকাংশই জামায়াতের পক্ষে যাবে।
ষষ্টত : স্ট্র্যাটেজিক সিট-শেয়ারিং
এবারের নির্বাচনে সিট-শেয়ারিং হবে জামায়াতের মূল অস্ত্র। জামায়াত ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম,সিলেট,কুমিল্লা,রংপুরের কিছু অংশ,এবং ময়মনসিংহের নির্দিষ্ট অঞ্চলে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এখানে বিএনপি দুর্বল প্রার্থী দিলে জামায়াত সহজেই জিততে পারে। এরফলে জামায়াত সেই শক্তিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে বড় প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হবে।
সপ্তমত : আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাব
যদি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আঞ্চলিক শক্তিগুলো বাংলাদেশে একটি সমঝোতাভিত্তিক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, তাহলে এখন জামায়াতের নেতৃত্বে আন্দোলনরত জোট-ভিত্তিক সরকার গঠনের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে জামায়াত তার গ্রহণযোগ্যতাকে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরবে।
তা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ জামায়াতের প্রতি সহানুভূতিশীল, যা তাদের আন্তর্জাতিক সমর্থনকে আরো বাড়াতে পারে এবং ক্ষমতায় যাওয়ার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
জামায়াত এককভাবে না হলেও, বরং জোট-শক্তি হিসেবে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসতে পারে। এখানেই তাদের ক্ষমতায় যােওয়ার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা রয়েছে।
অষ্টমত : সংখ্যালঘুদের মন জয়
জামায়াত ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর পাশাপাশি দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সখ্যতা গড়তে সক্ষম হয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন জামায়াতের প্রতি শুধু আকৃষ্টই হয়নি,তারা বাস্তবেই জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।
নবম : নারী ভোটারদের মানসিক পরিবর্তন
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীরা ঘরের বাইরে বের হতে পারবে না,এধরনের অপপ্রচার এবারে ধোপে টেকেনি। বরং নারীরা এবার প্রকাশ্যে জামায়াতের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। নারী সমাজ এবার বুঝতে পেরেছে যে, ইসলামে রয়েছে নারীদের অধিকার আদায়ের সবচেয়ে বড় গ্যারান্টি।
জামায়াতও নারী সমাজের উন্নয়নে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে। বিশেষ করে নারীদের শ্রমের মর্যাদা এবং কর্মঘন্টা কমানোর ঘোষণা রাতা-রাতি নারী ভোটারদের মধ্যে বড়ধরণের মানসিক পরিবর্ন এনেছে। এর ফলে এবার নারী ভোটারদের প্রবল সমর্থন পাবে জামায়াত।
দশম: বহুমাত্রিক বৈচিত্রের বিজয়
আইআরআই জরিপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছে। এটা প্রমান করছে যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত এখন আর প্রান্তিক দল নয়। বরং জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র পর্যায়ে প্রবল শক্তিতে ফিরে আসা এক বিজয়ী শক্তির সিম্বল।
যারা দেশের বহু দল-মত নির্শেষে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদেরও মন জয় করে নিয়েছে। ভোটের মাঠের জয় পরাজয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সব ফ্যাক্টর রয়েছে, তার সবগুলোতেই এখন জামায়াতের সূচক এগিয়ে আছে।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটারদের মানসিকতাও বদলে গেছে। বেশিরভাগ ভোটারদের মুখেই এক কথা। সব দল দেখা শেষ,এবার জামায়াতকে দেখতে চাই। ভোটরদের এই মানসিকতা ভোটের মাঠে জামায়াতকে দিন দিন বিজয়ের দিকে নিয়ে নিচ্ছে।
জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারে যেসব কারণে, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো,
১. যদি সুইং ভোট তাদের দিকে যায়
২. যদি তরুণ ভোটার সক্রিয় হয় এবং
৩. তাদের সাংগঠনিক কাঠামো মাঠে আরো শক্ত অবস্থান নিতে পারে।
জামায়াতের ক্ষমতায় যাওয়ার পথে যে ফ্যাক্টরগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ,তা হলো-
এক. সমমনা ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে জোট
দুই. ভোটের শেষ মুহূর্তের সুইং
তিন. সঠিক প্রার্থী নির্বাচন
চার. মাঠের শক্তি, এবং
পাঁচ. নির্বাচনের রাজনৈতিক পরিবেশ।
অধিকাংশ বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘবদ্ধ ভাবে গোটা প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার মতো ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র জামাতের হাতেই।
বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপিকে হারিয়ে যদি সত্যিই জামাত ক্ষমতায় আসে, তা খানিক ‘চমক’ই হবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকেরা। কারণ, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ‘স্বপ্নজয়ের’ এক প্রবল নেশায় ‘জেন-জি’ জীবন বাজি রেখে মাঠে নেমেছিল। এবারের নির্বাচন সেই স্বপ্নপূরণের এক মহাসন্ধিক্ষণ হয়ে সামনে আসছে।
আসন্ন নির্বাচনে হাজারো শহীদের রক্তত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নবাজ জাতি ‘জনআকাঙ্খা’ পূরণে কাদেরকে ক্ষমতায় বসায়,শেষপর্যন্ত সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Leave a Reply