মানুষ ভালোভাবে বেঁচে থাকার প্রয়োজনেই উপার্জন করে। আর উপার্জনের পথ হিসেবে বেছে নেয় কেউ সৎপথ আবার কেউ অসৎপথ। অসৎ পথে উপার্জনের জন্য অসৎ ব্যক্তিরা কিছু ফাঁদ পাতে আর লোভীরা এই ফাঁদে জড়িয়ে পড়ে তাদের সর্বস্ব হারায়।
এমন ঘটনাই ঘটছিল বগুড়া জেলার কাহালু থানাধীন পাইকড় ইউনিয়নের মহিষামুড়া গ্রামস্থ জনৈক হযরত আলী প্রামানিক এর মুদিখানা দোকানের সামনে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫:৫০ ঘটিকায়। উক্ত সময়ে কাহলু থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিরস্ত্র) মো: রুবেল প্রামানিক সঙ্গীয়ফোর্স সহ অত্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত সময়ে পাকা রাস্তার উপর হতে আরাফাত হোসেন সবুজ (৩৩) পিতা: ওসমান আলী সাং- খাগড়া ও সোহেল (২৬) পিতা: মৃত. নুরুল ইসলাম সাং- ভান্ডুরিয়া উভয় থানা দুপচাঁচিয়া, বগুড়া ২ জন কে গ্রেফতার পূর্বক ধৃত আসামীদের হেফাজতে থাকা ১ টি সোনালী রংয়ের রাধা-কৃষ্ণের নকল সোনার মূর্তি যা দেখতে সোনা সাদৃশ্য, ওজন ০১ কেজি ১১০ গ্রাম, দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, মাঝামাঝি স্থানের প্রস্থ ০৭ ইঞ্চি, মূর্তির পিছনে ইংরেজিতে খোদাই করা 1839 লেখা উদ্ধার করে। উক্ত সময়ে তারা ওই মূর্তি বিক্রয়ের প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ধৃত আসামীসহ পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে কাহালু থানার মামলা নং-১০, তারিখ-১৭/০৯/২০২৪ খ্রি. ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোড রুজু পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছিল।
কাহালু থানার ওসি শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘এমন প্রতারক চক্র প্রতারণা করে মানুষের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবিকল সোনা সাদৃশ্য রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি আরো ছয় সাতজন পালিয়ে গেছে। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক পালিয়ে যাওয়া অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছি।”
Leave a Reply