শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত
গোলাম আজম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানানোর পাঁয়তারা করতেছে। তাদের কোন ষড়যন্ত্র বাংলার জনগণ মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আ.ন.ম শামসুল ইসলাম।
শনিবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি মো. নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ও জেলা পূর্ব শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান ভুঁইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল বাসেত, বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সাবেক সভাপতি ও শেরপুর শাহ্ বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম আজাদ, শেরপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর ও শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দবিবুর রহমান, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, শ্রমিক নেতা সাখাওয়াত হোসেন, তারেকুল ইসলাম তারেক প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে অবৈধভাবে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গনতন্ত্র’কে হত্যা করেছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের ভিতরে দিয়ে ভিনদেশী রেলপথ নির্মাণের করা ব্যবস্থা করে দিতেছে এটা দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ। আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন দেশের ক্ষতি ছাড়া কোন লাভ হবে না। এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য সবাইকে সর্বাত্মকভাবে আন্দোলন করতে হবে।
প্রতিটা সদস্যকে যোগ্যতা ও চরিত্রবান নাগরিক হিসেবে নিজেদের জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আ.ন.ম শামসুল ইসলাম বলেন, যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে। যোগ্যতা অর্জনের জন্য সর্ব বিষয়ে জ্ঞানের অধিকারী হতে হবে। প্রতিদিন কুরআন, হাদিস ও ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করে সে মোতাবেক জীবন পরিচালনা করার চেষ্টা এবং কথা ও কাজের মিল রাখতে হবে। জনগণের সাথে মিশে তাদের সুখ, দুঃখের পাশে দাঁড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করা লাগবে।
তিনি বলেন, গিবত ও কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে এবং রিয়া মুক্ত তথা মানুষকে দেখানো ও নিজের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য কোন কাজ করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা অহংকারকারীকে ভালোবাসেন না। রাসূল (সা.) বলেছেন, অহংকার ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই অহংকারের মতো ঘৃণিত কাজ বর্জন করে চলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংগঠন পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করে নিজেদেরকে একজন সু-বক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়োজনীয় চেষ্টা করা। বন্যা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেদেরকে সমাজ কর্মী হিসেবে ভূমিকা পালন করে এলাকায় মসজিদ-মাদরাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে।
প্রতিটা এলাকাকে ইসলামী শ্রম আন্দোলনের ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
Leave a Reply