সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিটতে নবাগত মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের কাছে ৫ উইকেটে হেরে লজ্জা পেলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেয়া ১৫৪ রানের টার্গেট ৩ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে হেসেখেলে জিতে নিলো যুক্তরাস্ট্র।
বাংলাদের দেয়া ১৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মারমুখি ব্যাট চালায় যুক্তরাস্ট্র। মাত্র ৩ ওভার ১ বলে দলীয় ২৭ রানের মাথায় দূ ভাগ্যজনক রান আউটন হন অধিনায়ক মোনাক প্যাটেল। এরপর ষ্টিভেন টেলর ও আন্দ্রে গোস দলকে জয়ের ভীত গড়ে দেন। শেষে হিারমিট সিং এবং কোরে এন্ডারশনের ২৮ বলে ৬২ রানের জুটিতে ঐতিহাসিক জয় পায় মার্কিন যুক্তরাস্ট্র। মারহিট সিং ১৩ বলের ৩৩ এবং এন্ডারশেন ২৫ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এর আগে টসে হের আগে ব্যাট করতে নেমে ৪.৩ ওভারে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও পেরে উঠেননি লিটন দাস। আজও ব্যাট হাতে ব্যর্থ তিনি। ১৫ বলে ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি, জাসদ্বীপ সিংহের বলে পড়েন এলবিডব্লিউর ফাঁদে।
ব্যর্থতার বেড়াজাল ভাঙতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্তও। বাংলাদেশ অধিনায়কের অবস্থা আরো খারাপ, তিনি ফেরেন ১১ বলে মাত্র ৩ রানে। তাকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন টেলর।
এর আগে, টেলর ফেরান সৌম্য সরকারকেও। ভালো শুরু পেলেও এই ওপেনার ইনিংস বড় করতে পারেননি। থিতু হওয়ার আগেই তাকে ফেরান টেলর। আউট হন ১৩ বলে ২০ রান করে। ৭.২ ওভারে মাত্র ৫১ রানে হারায় ৩ উইকেট।
তাওহীদ হৃদয় পাঁচে নামা সাকিব আল হাসানকে নিয়ে চেষ্টা করেন হাল ধরার। তবে দেখেশুনে খেলতে থাকা সাকিব পারেননি সঙ্গ দিতে। ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরেন ১২ বলে ৬ রানে। তাতে ১১.২ ওভারে ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে তাওহীদ ঘুরে দাঁড় করান দলকে। গড়েন দুজনে ৪৭ বলে ৬৭ রানের জুটি। যদিও দু’জনের কেউ খুব একটা বাড়াতে পারেননি রানের গতি। মাহমুদউল্লাহ আউট হন ১৮.৪ ওভারে ২২ বলে ৩১ রানে।
শেষ ওভারে এসে আউট হন তাওহীদ। তবে এর আগে ৪০ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি। ফেরেন ৪৭ বলে ৫৮ রানে। ৫ বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন জাকের আলি। তিন ওভারে মাত্র ৯ রানে ২ উইকেট নেন স্টিভেন টেলর।
Leave a Reply