জামায়াত নেতৃবৃন্দের শোক

গাইবান্ধার সাবেক জেলা আমির সিরাজুল ইসলামের ইন্তেকাল

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
    সময় : বুধবার, জুলাই ১০, ২০২৪, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
  • ৩৭৪ Time View

পলাশবাড়ী উপজেলা নিবাসী গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর, প্রবীন সদস্য (রুকন) ও পলাশবাড়ী সিনিয়র (ফাজিল) মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক মাস্টার সিরাজুল ইসলাম আজ বুধবার ভোর ৪ টায় মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান আবাসিক এলাকায় তার একমাত্র মেয়ের বাসায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৬ বছর। তিনি ৩ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

উল্লেখ্য তিনি ১৯৮২ সালে জামায়াতের সদস্য (রুকন) শপথ গ্রহন করেন। তিনি ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। এর পুর্বে তিনি জেলা কর্মপরিষদের সদস্য ও পলাশবাড়ি উপজেলা আমীর হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন

মরহুমের ১ম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয় বাদ জোহর চাঁদ উদ্যান এলাকায় বায়তুর রহমান জামে মসজিদে এতে ইমামতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। উক্ত জানাযায় উপস্থিত ছিলেন সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম এবং ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য জিয়াউল হাসান সহ মোহাম্মদপুর থানার নেতৃবৃন্দ।

মরহুমের ২য় জানাযার নামাজ রাত ৯.০০ টায় পলাশবাড়ি এস.এম.পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এবং ৩য় জানাযা রাত ১০টায় বিশ্রামগাছী নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত হবে এবং নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মাস্টার সিরাজুলের ইন্তেকালে জামায়াতের শোক
মাস্টার সিরাজুল ইসলাম এর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর- দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, গাইবান্ধার সাবেক জেলা আমীর ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম সরকার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমীর, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জননেতা মো. আব্দুল করিম, জেলা নায়েবে আমীর বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা নায়েবে আমীর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকার, সহকারি সেক্রেটারি সৈয়দ আব্দুস সালেক সহ জেলা শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মাস্টার সিরাজুল ইসলাম ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। একজন দায়িত্বশীল হিসাবে তিনি বটবৃক্ষের মত জনশক্তিকে সব সময় আগলে রাখতেন। সংগঠনের ছোট বড় বহু কাজে তিনি ছুটে যেতেন প্রতিটি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তার মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা একজন অভিভাবক ও দায়িত্বশীল হারালো। মহান আল্লাহ তার জীবনে জানা অজানা গুনাহ সমুহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©  doiniksatmatha.com