ওসমান আলী, খানসামা থেকে ফিরে:
খানসামা উপজেলার মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক চোরাচালান হতে বিরত ও বাধা নিষেধ যেন কাল হয়েছে উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের বালাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলামের জীবনে নেমে এসেছে আতঙ্ক।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খানসামা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য বলেন আমি একজন শিক্ষক ওই এলাকার হাবিবুর রহমান ও তার বন্ধু শাকিল দুজনে মাদক ব্যবসায়ী তারা দুজনে মাদক চোরা চালান করে থাকে এতে আমাদের গ্রাম সহ এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করার কারণে আমি সহ গ্রামের আরও অনেক সচেতন ব্যক্তিবর্গ মিলে তাদেরকে মাদক চোরাচালান হতে বিরত থাকার জন্য একাধিকবার বাধা নিষেধ করি।
যার প্রেক্ষিতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিশ দিয়ে আমার পুকুরের মাছ নষ্ট করে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি উক্ত জিডির প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রসিকিউশন দাখিল করে। হাবিবুর উক্ত প্রশিকেশনের প্রক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা শেষে এলাকায় এসে আমাকে মারপিট এবং আমাকে খুন করবে বলে বেড়ায় গত ১৫ জুন বিকেল সাড়ে চারটায় খামারপাড়া ইউনিয়নের বোর্ড বাজার সংলগ্ন গৌরী হরিসা মিলের চাতাল সংলগ্ন রাস্তায় হাবিবুর ও তার বন্ধু শাকিল আমাকে দেখতে পেয়ে পূর্বের বিষয়কে কেন্দ্র করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
আমি প্রতিবাদ করায় তাদের হাতে থাকা চাকু আমার পেটে লাগিয়ে 2 লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে মাটিতে শোয়ায় এলোপাথাড়ি ভাবে লাথিগুড়ি মারতে থাকে একপর্যায়ে হাবিবুর আমার গলাচিপে ও তার বন্ধু শাকিল আমার মুখ চেপে ধরে শ্বাস রোধ করত হরতাল চেষ্টা করে এক পর্যায়ে চাঁদা দিতে না চাইলে সে আমাকে খুন ও আমার পরিবারের সদস্যদের হুমকি প্রদান করে।
আমি দ্রুত এই মাদক ব্যবসায়ী সহ তার বন্ধুকে আইনের আওতায় এনে বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি কারণ আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি হাবিবুর ও শাকিল আমার ও আমার পরিবারের ক্ষতি করতে সর্বদাই তৎপর রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষক নেতারা বলেন সংবাদ সম্মেলনের পরে যদি কোন পত্রিকার না পাওয়া হয় তাহলে মানববন্ধন সহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে প্রয়োজনে আমরা কর্মবিরতি ঘোষণা করবো এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।
Leave a Reply