বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী সদর উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান সফিক (ঘোড়া) এবং জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক সুলতান মাহমুদ খান রনি (মোটরসাইকেল)।
আবু সুফিয়ান সফিক অভিযোগ করে বলেন, শহরের ঠনঠনিয়া নুরুন আ’লা নূর ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবলীগ সভাপতি সুভাশীষ পোদ্দার লিটনের (আনারস) লোকজন তার (ঘোড়া) নির্বাচনী এজেন্টকে ঢুকতে দেয়নি। কেন্দ্রের বাইরে আমার কোন কর্মিকে থাকতে দেওয়া হয়নি। ভয় দেখিয়ে তাদেরকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারকে বলেও কোন লাভ হয়নি।
তিনি বলেন, বগুড়ার সব খুনি, মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্র ব্যবসায়ীরা যখন কোন প্রার্থীর পক্ষে মাঠে থাকে। সরকারি কর্মকর্তা যখন কারো পক্ষ নেয় তখন নির্বাচন কোনভাবেই সুষ্ঠূ হতে পারেনা।
তিনি বলেন, আমা দের যুবলীগের জন্য আমরা বগুড়াবাসীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এরা বগুড়ার কলঙ্ক। এরা বগুড়ার মানুষকে সাভাবিক জীভন যাপন করতে দেয় না। আজ তার প্রমাণ হলো। শহরের অনেক কেন্দ্রেই এভাবে ভয় দেখিয়ে ভোটারদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনকে কোনভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন বলা যাবেনা।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বারবার বলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ব্যবস্থা না নিলে এরা যেভাবেেএদের এলাকায় আমার লোকদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে, আমিও আমার এলাকা থেকে ওদেরকে বের করে দিবো।
আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) সুলতান মাহমুদ খান রনি বলেন, ভোটের পরিবেশ নেই। এভাবে ভোট হতে পারেনা। এটাকে েকোনভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন বলেনা। আর কিছুক্ষণ দেখার পর নির্বাচনে থাকা না থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
Leave a Reply