ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুর্নীতি-অনিয়মের লম্বা খতিয়ান

Reporter Name
    সময় : রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
  • ৯৬ Time View
এফ শাহজাহান : 
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাসা বেঁধেছে ডজনখানেক দুর্নীতির কালসাপ। যাদের বিষাক্ত ছোঁবলে প্রতিদিন ক্ষত বিক্ষত হচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশী পর্যটকরা।
প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই বিমানবন্দর দিয়ে বিদেশে যান এবং দেশে ফেরেন। প্রবাসী শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগী, পর্যটক, নারী ও শিশু,বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য বিমানবন্দরটি দেশের প্রথম ও শেষ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার জায়গা।
দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং তথ্যপ্রমান বলছে, বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর একজন যাত্রীকে শুধু নিরাপত্তা ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়েই যেতে হয় না; তাঁকে মোকাবিলা করতে হয় দীর্ঘ সারি, দুর্ব্যবহার, অতিরিক্ত জিজ্ঞাসাবাদ, লাগেজ নিয়ে জটিলতা, কাস্টমস হয়রানি, লাগেজ হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঘুষ বা অনিয়মের অভিযোগও।
বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধান, সরকারি তদন্ত, দুদকের অভিযান এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অভিযোগ ব্যবস্থায় যেসব সমস্যার একাধিক দৃষ্টান্ত উঠে এসেছে, সেগুলো নিচে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হলো-
প্রথমত : ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা ও দুর্ব্যবহার
বিদেশগামী যাত্রীর বিমানবন্দরের প্রথম বড় পরীক্ষা ইমিগ্রেশন। কাগজপত্র যাচাই, পাসপোর্ট পরীক্ষা এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় এখানে। কিন্তু শাহজালালের বহির্গমন ইমিগ্রেশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের একটি বড় অভিযোগ অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কর্মকর্তাদের আচরণ।
বিমানবন্দরের বহির্গমন ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সারিতে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং অনেকেই কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যস্ত সময়ে একসঙ্গে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার যাত্রী ইমিগ্রেশন এলাকায় চাপ সৃষ্টি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত : তুই-তোকারিসহ চরম বেয়াদবী আচরণ
ইমিগ্রেশন নিয়ে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর একটি হলো কর্মকর্তাদের কথাবার্তার ধরন। বিদেশগামী যাত্রীদের অধিকাংশই অভিযোগ তুলে জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশন এলাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে যাত্রীদের সঙ্গে অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলা হয়। প্রতিবেদনে এমনকি বিদেশের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আচরণের তুলনাও এসেছে।
এখানে সমস্যা শুধু ‘খারাপ ব্যবহার’ নয়। একজন নাগরিকের পাসপোর্ট, ভ্রমণ এবং দেশত্যাগের অনুমতি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার বিষয়। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হাতে থাকা ক্ষমতা এবং যাত্রীর অসহায় অবস্থানের মধ্যে একটি স্বাভাবিক ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। এই অবস্থায় কর্মকর্তার দুর্ব্যবহার যাত্রীর কাছে সাধারণ অসৌজন্য নয়,রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের অপব্যবহার হিসেবে অনুভূত হতে পারে।
তৃতীয়ত : সাংবাদিকও হয়রানি থেকে রেহাই পান না
২০২৪ সালের নভেম্বরে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির শাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত হয়রানির অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার সময় তাঁকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং অতীতে তাঁর পাসপোর্ট আটকে রেখে বিভিন্ন ধরনের যাচাইয়ের মুখোমুখি করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। এই ঘটনার গুরুত্ব এখানেই যে, এটি কেবল একজন যাত্রীর ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে থেকে যায়নি; রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত হয়েছিল।
চতুর্থত: তল্লাশির নামে সীমাহীন হয়রানি
বিমানবন্দরে কাস্টমসের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চোরাচালান, অবৈধ পণ্য, শুল্ক ফাঁকি এবং নিষিদ্ধ পণ্য নিয়ন্ত্রণ করা কাস্টমসের আইনগত দায়িত্ব।কিন্তু এখানেই তৈরি হচ্ছে আরেকটি বড় প্রশ্ন, আইন প্রয়োগের ক্ষমতা কি কোনো কোনো ক্ষেত্রে যাত্রী হয়রানির সুযোগ তৈরি করছে?
২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরে যেখানে বিদেশফেরত যাত্রীরা কাস্টমসের অতিরিক্ত তল্লাশি, পণ্যের মূল্যায়ন এবং শুল্ক আরোপ নিয়ে অভিযোগ করে। প্রতিবেদনটিতে এমন একজন যাত্রীর ঘটনা আসে, যার ব্যক্তিগত ব্যবহারের বিভিন্ন পণ্যকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে প্রায় ২০ হাজার টাকা শুল্ক দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। যাত্রী অর্থ দিতে অস্বীকার করলে পণ্য আটকের অভিযোগও ওঠে।
পঞ্চমত : লাগেজ নিয়ে টানাটানি
বিমানবন্দরে যাত্রীর আরেকটি বড় ভোগান্তির জায়গা লাগেজ। ২০২২ সালে শাহজালাল বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত এক সিএএবি গণশুনানিতে যাত্রীরা লাগেজ পেতে দেরি, লাগেজ থেকে মূল্যবান জিনিস হারানো এবং বিমানকর্মীদের দুর্ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন।
২০২৪ সালের আরেক গণশুনানিতে যাত্রীরা লাগেজ ব্যবস্থাপনা, ফ্লাইট বিলম্ব এবং অন্যান্য সেবাগত সমস্যা তুলে ধরেন। বিদেশফেরত শ্রমিকদের একটি অংশ কাস্টমস তল্লাশি নিয়ে হয়রানির অভিযোগও করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রীদের জন্য লাগেজ-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ব্যক্তিগত সামগ্রী ও নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা আছে এবং নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য নির্ধারিত শুল্ক দিয়ে পণ্য ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
২০২৪ সালের অভ্যন্তরীণ যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালায় ‘ব্যাগেজ’-এর সংজ্ঞায় যুক্তিসংগত পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য, পোশাক, গৃহস্থালি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রীর কথা বলা হয়েছে; প্রতিটি আইটেমের ওজন ১৫ কেজির বেশি না হওয়ার শর্তও উল্লেখ আছে।
অথচ, কাস্টমসের সরকারি নির্দেশনাতেই বলা হয়েছে, গ্রিন চ্যানেল দিয়ে যাওয়া যাত্রীর ব্যাগেজ যুক্তিসংগত সন্দেহ থাকলে পরীক্ষা করা যেতে পারে। অর্থাৎ তল্লাশি নিজেই অবৈধ নয়। সমস্যা হচ্ছে,যাত্রী যদি নিয়ম না জানেন, তাহলে তিনি বুঝতেই পারেন না কোনটি বৈধ তল্লাশি, কোনটি আইনগত শুল্ক এবং কোনটি হয়রানি বা অনিয়মের পর্যায়ে পড়তে পারে।
ষষ্ঠত: কাস্টমস কর্মকর্তার দুনীর্তি
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে শাহজালাল বিমানবন্দরে একজন বিদেশফেরত যাত্রীর লাগেজ তল্লাশির সময় তিনজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের মধ্যে ছিল লাগেজ অপ্রয়োজনীয়ভাবে খোলা এবং যাত্রীর ব্যাগ থেকে চকোলেট নিয়ে খাওয়ার ঘটনা।তদন্তের পর তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও দুজনকে বদলি করা হয়। এর দ্বারা প্রমানিত হয় যে, যাত্রীদের অভিযোগের পাহাড় ভিত্তিহীন নয়।
সপ্তমত : বিমান কর্মীদের অসদাচরণ
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একটি বিদেশফেরত পরিবারের সঙ্গে বিমানবন্দরে সংঘর্ষের ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় আসে। ঘটনার সঙ্গে অতিরিক্ত ওজনের হ্যান্ডব্যাগ বহনের বিষয়টি যুক্ত ছিল। সিএএবি জানায়, সংশ্লিষ্ট যাত্রীর হ্যান্ডব্যাগের ওজন নির্ধারিত ৭ কেজির সীমার চেয়ে অনেক বেশি ছিল। পরে কথাকাটাকাটি ও শারীরিকভাবে যাত্রীকে আটকে রাখার ঘটনা ঘটে।
অষ্টম : প্রবাসী শ্রমিকদের ভোগান্তি
শাহজালাল বিমানবন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যাত্রীগোষ্ঠীগুলোর একটি বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিক। তাঁদের বড় অংশ দীর্ঘদিন বিদেশে কাজ করে দেশে ফেরেন। অনেকের শিক্ষা ও আইনগত জ্ঞান সীমিত; আবার বিমানবন্দরের জটিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণাও কম।
২০২৪ সালের বিভিন্ন ঘটনায় মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ বিমানবন্দরে টিকিট ও নিয়োগসংক্রান্ত সমস্যায় আটকে পড়েন। শত শত শ্রমিক বিমানবন্দরে অবস্থান করেন এবং কেউ কেউ প্রতারণামূলক বা ভুয়া টিকিট পাওয়ার অভিযোগ করেন।
নবম : দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ব্য
বিমানবন্দরের ভেতরে ও আশপাশে দালালচক্র নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। বিশেষ করে বিদেশগামী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, সাব-এজেন্ট ও দালালদের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের ঘটনায় কেউ কেউ ৫–৬ লাখ টাকা বা তার বেশি অর্থ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
২০২৪ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা বিমানবন্দরের বিশেষ প্রবেশাধিকার ব্যবহার করে মানব পাচারের অভিযোগে একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। পুলিশের দাবি ছিল, চক্রটির সঙ্গে বিমানবন্দরের কিছু কর্মকর্তার যোগসূত্রের তথ্য পাওয়া গেছে।
দশম : ঘুষের কারবার
শাহজালাল বিমানবন্দরের সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো ঘুষ লেনদেন। ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন শাখায় ঘুষ গ্রহণ এবং জাল/ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালায়। দুদক সংশ্লিষ্ট রেকর্ড সংগ্রহ এবং কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে অভিযোগটি এতটাই গুরুতর ছিল যে দেশের দুর্নীতি দমন সংস্থাকে সরেজমিনে তদন্তে যেতে হয়েছে।
একাদশতম : বিদেশি পর্যটকের খারাপ অভিজ্ঞতা
শাহজালাল বিমানবন্দরের সমস্যা শুধু বাংলাদেশি যাত্রীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।২০২৪ সালে ঢাকা বিমানবন্দরে বিদেশি পর্যটকদের ভিসা অন অ্যারাইভাল প্রক্রিয়া, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ প্রকাশিত হয়। পর্যটন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সমস্যাটি নিয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানান।
দাদ্বশতম : কোন প্রতিকার নেই
একটি দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তার পর্যটন ও বিনিয়োগ পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এখানে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কর্মকর্তার হাতে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু যাত্রীর হাতে সেই ক্ষমতার সমপরিমাণ প্রতিকারমূলক কোন ক্ষমতা নেই। যাত্রী জানেন না কোন পণ্য শুল্কমুক্ত, কোন পণ্যে কত শুল্ক এবং কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করবেন।
বিমানবন্দর পরিচালনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, নিরাপত্তা সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে। ফলে একজন যাত্রী সমস্যায় পড়লে দায়িত্ব কার, তা বুঝতে পারেন না। ফলে একজন বিদেশি পর্যটকের কাছে বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা শুধু বিমানবন্দরের সেবার মান নয়, পুরো দেশ সম্পর্কে তাঁর ধারণার অংশ হয়ে যায়।
প্রতি মাসে কত অভিযোগ এসেছে, কতটি তদন্ত হয়েছে, কত কর্মকর্তা শাস্তি পেয়েছেন, কত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, এ ধরনের সমন্বিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়মিত পাওয়া যায় না।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ পণ্য আটকানো, শুল্ক আদায় করা এবং ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের আইনগত দায়িত্ব।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর একটি দেশের শুধু প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা নয়। এটি রাষ্ট্রের নাগরিকসেবা, আইনের শাসন এবং মানবিকতারও দৃশ্যমান দরজা। আর সেই দরজায় যদি একজন নাগরিককে অপমান, অনিশ্চয়তা কিংবা অযৌক্তিক ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে প্রশ্নটি শুধু বিমানবন্দরের নয়, প্রশ্নটি রাষ্ট্রীয় সেবাব্যবস্থার মান ও জবাবদিহির।
…………………………………………
এফ শাহজাহান
ডার্কসাইট
০৪ অক্টোবর ২০২৬
………………………………………..

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©  doiniksatmatha.com